কৈফিয়ৎ

Category: Entertainment Written by Md. Rafiqul Islam Hits: 2475

অনেক দিন হলো কিছু লিখছি না। মাঝে মাঝে কিছু পাঠক জানতে চায়;

- ‘‘কেন লিখছি না? ব্যস্ততা বেড়ে গেছে কি?’’

- ‘‘ শরীর খারাপ? কেন লিখছেন না?’’

কেন লিখছি না এর জবাব আমি নিজেও জানি না। আগের চেয়ে ব্যস্ততা বেড়ে গেছে; এটাও ঠিক নয়। মাঝে সপ্তাহ খানেক জ্বর, ইনফ্লুয়েঞ্জা, সর্দি কাশিতে ভুগেছি, ঠিক। তবে এটা না লিখার কারণ মনে হচ্ছে না। লিখা হচ্ছে না, এটাই সত্য।

কয়েকবার বসেছিলাম। লিখা হয়নি। লিখতে চাইলেই লিখা যায়না। কি লিখবো? জানিনা। তবুও লিখতে বসেছি।

এক মাস ধরে দেখছি, ১৫০০ থেকে ২০০০ লোক আমার ওয়েব-সাইটটা ভিজিট করে। ভেবেছিলাম অনেক দিন কিছু লিখিনা, এর চেয়ে বেশী লোক ওয়েবে নক করার কথা নয়। ঈদের দিন দেখলাম, হিট হয়েছে ২৪০০০। অবাক লাগলো অনেক দিন লিখিনা, তবুও পাঠককুল আমাকে ছেড়ে চলে যায়নি। এ অপরাধবোধ থেকেই কলম ধরলাম। কি লিখবো জানিনা, তবুও কলম ধরেছি। কলম ধরেছি কৈফিয়ৎ দিবো বলে।

জন্ম থেকে কৈফিয়ৎ দিয়ে আসছি। ছোটবেলায় মাঝে-মধ্যে খেতে ইচ্ছা করতোনা। হারিকেনটা সামনে শরৎ নিয়ে আছি। মা বললেন,

- ‘‘আয় খেয়েনে। ভাত নিয়ে আর কতক্ষণ বসে থাকবো।’’ ঊঠতে ইচ্ছে করছিলনা। জবাব দিতাম;

- ‘‘খাবার তুলে রেখে দাও। খেতে ইচ্ছে করছেনা।’’

জবাবে মা বললেন,

- ‘‘কেন খেতে ইচ্ছে করছেনা ? কি হয়েছে তোর ? ’’

কি জবাব দিবো; কোন জবাব জানা ছিলনা। বললাম;

- ‘‘না কিছুনা। এমনি ভালো লাগছেনা।’’

মা কিছু না বলে এসে মাথায় হাত দিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন;

- ‘‘তোর শরীর খারাপ? জ্বর টর হয়নিতো?’’

কোন জবাব দিতাম না । মা বলতেন;

- ‘‘জ্বর তো নাই। তা হলে খাবিনা কেন?’’

এ সব গল্পের বই পড়া রাখউঠে এসে খেয়ে নে।’’

কোন কিছু বলার ছিলনা। উঠে খেতে বসতাম।

স্কুল জীবনেও মাস্টার মশাইদের কাছেও অনেক কৈফিয়ৎ দিতে হয়েছে। কখনও স্কুল কামাই, কখনও বাড়ীর কাজ নাকরা, কখনও অন্য কারণে। জ্বর, রোগ বালাই না হলে স্কুল কামাই করতাম না। মাঝে-মধ্যে জমিতে ধান লাগানো, ধান-কাটার সময় মাঠে যেতে হতো। স্কুল কামাই করা ছাড়া উপায় থাকতো না। স্যারদেরও জমি-জমা ছিল। তাঁরাও এসময় ছুটি-ছাটা নিতেন। তাই একৈফিয়ৎ শুনে আর কিছু বলতেন না।

বাড়ীর কাজ নাকরে স্কুলে গেলে শাহজাহান স্যার কোন কৈফিয়ৎ শুনতেননা। একদিন স্যার অনেকগুলো বাড়ীর কাজ দিয়েছেন। অংকগুলো আমার জানা ছিল। করতেও পারতাম। সময়ও ছিল। করতে পারিনি, খাতা শেষ হয়ে গেছিল। মাকে বললাম,

- ‘‘টাকা দাও খাতা কিনতে হবে।’’ জবাবে মা জানালেন;

বাড়ীতে টাকা নাই। দোকানে গিয়ে বাকিতে নিয়ে আয়। পরে টাকা দিয়ে দিবো। ঔ সময় রেডিমেড বাঁধানো খাতার প্রচলন গ্রামে ছিল না। আমরা দিস্তায় তা কিনে, ভাঁজ করে সিমেন্টের বস্তার মোটা কাগজের মলাট বানিয়ে সেলাই করে খাতা বানাতাম। দোকান থেকে দিস্তায় কাগজ আনলাম। মলাটের মোটা কাগজ জোগাড় করতে পারলাম না। খাতা তৈরীও হল না। বাড়ীর কাজ হিসাবে অংকগুলো করে খাতা স্যারের কাছে জমা দিতে পারলামনা। স্যার জিজ্ঞাসা করলেন;

- ‘‘তোর বাড়ীর কাজের খাতা কই?’’ কৈফিয়ৎ দিলাম;

- ‘‘খাতা শেষ, তাই করতে পারিনি।’’ সংগে সংগে স্যার গর্জে উঠলেন;

- ‘‘খাতা শেষ আগে চোখে পড়েনি? সারাদিন কি করা হয়?’’

কোন জবাব না দিয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম। শাস্তি হলো, প্রতিটি অংক বোর্ডে এসে একটা একটা করে দিতে হবে। নির্দেশ অনুযায়ী অংক করে দিলাম। স্যার আরও রেগে গিয়ে বললেন;

- ‘‘বেশী জ্ঞানী হয়ে গেছিস। বেশী জানিস, তাই বাড়ীর কাজ করার প্রয়োজন মনে করিসনা। তোর অহমিকা একদিন তোর সর্বনাশ ডেকে আনবে।’’

কৈফিয়ৎ দেয়ার চেষ্টা করলাম। কোন লাভ হলো না। তিনি আরও রেগে গেলেন। আর কোন চেষ্টা না করে অপরাধীর মত দাড়িয়ে রইলাম।

এমন হাজারো কৈফিয়ৎ এর মধ্যে দিয়ে স্কুল জীবনটা কেটে যাচ্ছিল। বিপদে পড়লাম অন্য একটা কারণে। আমাদের সহপাঠী মিনহাজ। আলেয়াকে মনে মনে ভালোবাসে। কোনদিন মুখ ফুটে বলতে পারেনি। তাই সে সাহস করে কাগজে ইংরেজীতে ‘‘আই লাভ ইউ’’ লিখে আলেয়ার দিকে ছুড়ে মারতো। মিনহাজের হাতের ইংরেজী লিখার সাথে আমার হাতের লিখার মিল ছিল। লিখার আগে সে আমার কলমটা নিয়ে অপকর্মটি করায় এ কাগজের মালিক বনে গেলাম আমি। কাগজটা আলেয়ার হাতে পড়লে কোন বিপত্তি ছিল না। এ ধরনের কাগজ চালাচালি সে আগেও করেছে। কোন বিপত্তি বাধেনি। আলেয়া কাগজটি নিয়ে পড়ে মুচকি হেসে কামিজের ভিতর রেখে দিতো। কাগজটা এখন ফায়েজ স্যারের হাতে। তাই বিপত্তি। স্যার আমার হাতের লিখা চেনেন। সোজা আমার কাছে এসে কান ধরে বললেন;

-‘‘মেয়েদের সাথে ফাজলামো করতে স্কুলে আসা হয়।’’

কিছু না বোঝায় ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে রইলাম। এতে স্যার আরো ক্ষেপে গেলেন।

-‘‘এখন ন্যাকা সাজা হচ্ছে। ন্যাকা।’’

শেষ পর্যন্ত জিজ্ঞাসা করতে বাধ্য হলাম;

-‘‘বিষয়টাই তো বুঝছি না। স্যার আরও ভয়ংকর মুর্তি ধারণ করে হাতের কাগজটা দেখিয়ে জানতে চাইলেন;

-‘‘এটা কি?’’ জবাবে বললাম;

‘‘এটা আমি লিখিনি। আমি ছুড়েও মারিনি। আর এটা আমার হাতের লিখাও নয়।’’

-‘‘তা হলে কে লিখেছে?’’

-‘‘জানি না, তবে আমি লিখলে লাভ এর ‘ই’ অবশ্যই থাকতো। আমি ‘ই’ ছাড়া লাভ লিখতাম না।’’

এমন ভয়ংকর পরিস্থিতিতে আমার কথা শুনে ক্লাশের সব ছেলেমেয়ে হো হো করে হেঁসে উঠলো। ফায়েজ স্যার আর আগে বাড়লেন না।

বললেন;

-‘‘আমি ইলেকটিভ ম্যাথম্যাটিক্সের এমন সব জটিল বিষয় পড়াই যা তোমাদের মাথায় ঢোকে না। তোমরা ক্লাশে এসব করলে তোমাদের ক্ষতি হবে বেশী। আমার কি? আমিতো আমার বেতন ঠিকই পাবো।’’ স্যারের অভিমান ক্লাশকে সত্মদ্ধ করে দিলো। সার পড়ায় মনোযোগী হলেন। পড়াচ্ছেন,

-‘ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল ভূমি ও উচ্চতার গুণফলের অর্ধেক।’

কলেজ জীবনটা শুরু হলো মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রস্ত্ততি, পরে প্রত্যক্ষ মুক্তিযুদ্ধ দিয়ে। শহরের রাজপথ মিছিল শেস্নাগানে উত্তাল। গ্রামের মেঠো পথও বাদ যায়নি। রাজশাহী কলেজ হোস্টেল আটকে রাখতে পারেনি। সকাল থেকে রাত্রি মিছিল শ্লোগানে কাটলেও কোন কৈফিয়ৎ দিতে হয়নি। উল্টো মিছিলে যেতে দেরী হলে বুলবুল ভাই এর তাগাদা;

-‘‘এখনও শুয়ে আছিস? মিছিলে যাবিনা! তাড়াতাড়ি উঠ।’’

তাড়াতাড়ি মুখ-হাত ধুয়ে মিছিলে। মনেই ছিল না, নাস্তা করা হয়নি। রাস্তার ঢপ উপর থেকে একটা কলা-বন রুটি কিনে চিবাচ্ছি, শ্লোগান চলছে,

‘ছয় দফা মানতে হবে। এগারো দফা মানতে হতে। মানতে হবে।’

গোদাগাড়ী এসে দেখি মেঠো পথেও একই দৃশ্য। মিছিল আর মিছিল। নাস্তা সেরে তাড়াতাড়ি বাহির হচ্ছি; মা বললেন;

-‘‘কোথায় যাচ্ছিস?’’ সোজা জবাব,

-‘‘মিছিলে।’’

‘‘রাজশাহীতে তো মিছিল মিটিং আর শ্লোগান দিয়েই বেড়াস। বাড়ীতে এসে এ ক’টা দিন এসব থেকে দূরে থাকতে পারসি না?’’

কোন জবাব না দিয়ে মাথা নিচু করে সোজা মিছিলে। শ্লোগান -মিছিল দিনে দিনে মুক্তিযুদ্ধে রূপ নিচ্ছে। রাস্তায় ইপিআর তল্লাশি! কৈফিয়ৎ এরপর কৈফিয়ৎ তলব। ৭০ এর দিকে ছাত্রদের মাঝে ঘাড়ে ঝোলানো ব্যাগের প্রচলন ছিল। মোড়ে মোড়ে ব্যাগ তল্লাশি । কৈফিয়ৎ;

- কোথায় যাবো? কেন যাবো?

- ঝোলায় কি?

হাজারো প্রশ্ন। জবাব দিয়ে হাঁফ ছেড়ে বাঁচা। দমবন্ধ অবস্থায় বাংলাদেশ। ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর অসহযোগ আন্দোলন, পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের ডাক। শুরম্ন হলো বাংগালীর স্বাধীনতা সংগ্রাম। রাস্তায় পাক আর্মির, বাসায় মুরব্বীদের কাছে কৈফিয়ৎ দিতে দিতে নাস্তা-নাবুদ অবস্থা।

১৯৭৪ সালে পড়াশুনার জন্য দেশ ছাড়লাম। বুলগেরিয়ার রাজধানী সোফিয়ার বুলেভার্ড লেলিন এ থাকি। কৈফিয়ৎহীন জীবন। স্টলের বুলগোরিয়ান খাবার গন্ধ-স্বাদহীন। খেতে ভালো লাগে না। না খেয়ে শুয়ে পড়ি। কোন কৈফিয়ৎ দিতে হয় না। কেউ জিজ্ঞাসা করে না,

-‘শরীর খারাপ?’’

সপ্তাহে একটি এসাইনমেন্ট পেপার জমা দিতে হবে। এসাইনমেন্ট এর বিষয়, জমা দেয়ার তারিখ, কার কাছে কখন জমা দিতে হবে তা আগে থেকেই নির্ধারণ করা আছে। আমাদের এক সহপাঠী জামাল, প্যালেস্টাইন এর অধিবাসি, ইসরায়েল অধিকৃত জেরুজালেম এর বাসিন্দা। নির্ধারিত তারিখের পর এসাইনমেন্ট পেপার জমা দিতে গেলেন। দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত ভদ্রমহিলা পেপারটি হাতে নিয়ে দেখে নেড়ে চেড়ে ফেরৎ দিতে দিতে বললেন;

-‘‘সময় পার হয়ে গেছে।’’

জামাল কৈফিয়ৎ দিচ্ছেন। ভদ্র মহিলা আপন মনে কাজ করে যাচ্ছেন। অসহায় জামাল ফিরে আসলেন। এসাইনমেন্ট নম্বর রেজাল্ট এর সাথে যোগ হলো না। বুঝলাম এখানে কৈফিয়ৎ কোন কাজে লাগে না। সময়মত এসাইনমেন্ট জমা দিতে হবে। এখানে কেউ কৈফিয়ৎ চায়, কৈফিয়ৎ দিতে হয় না।

চাকুরি জীবনে ঢুকে প্রতিপদে কৈফিয়ৎ দিচ্ছি। সহকারী সচিব উপ-সচিবকে, উপ-সচিব যুগ্ম-সচিবকে, যুগ্ম-সচিব সচিবকে কৈফিয়ৎ দিচ্ছেনা।

-‘‘ঐ নথিটি কবে দিবেন? আর কতদিন লাগবে?’’

-‘‘দেখছি স্যার। এই হয়ে গেছে।’’

যুগ্ম-সচিব রাগান্বিত হয়ে বলছেন,

-‘‘এ নথিটিতে আর কত দিন তা দিবেন?’’

কৈফিয়ৎ দিতে দিতে ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। কিছু কাজ টাইপের জন্য আটকে আছে। টাইপিস্টকে বললাম,

-‘‘টাইপ শেষ করতে আর কতক্ষণ লাগবে?’’

-‘‘আর পারছি না স্যার। আংগুল ব্যাথা হয়ে গেছে। কালকে করে দিবো।’’


কৈফিয়ৎ দিচ্ছে সবাই। পত্রিকার পাতায় পাতায় অভিযোগ, সরকারী অফিসে কাজ-কর্ম হচ্ছে না। চলছে ঢিলে-ঢালা ভাবে। কোন কোন অফিস মাঝে-মধ্যে পত্রিকার প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।

-‘‘পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন সঠিক তথ্য ভিত্তিক নয়।’’

প্রতিবেদকদের বক্তব্য, তাঁদের তথ্যমতে প্রকাশিত প্রতিবেদন সঠিক। সরকারী দপ্তর, প্রতিবেদক সবাই কৈফিয়ৎ দিচ্ছেন। জনগণ গোলকধাঁধাঁয়। তাঁরা আস্থা হারাচ্ছেন।

সন্ধ্যায় আমরা রিমোট টিপছি। এ চ্যানেল থেকে ও চ্যানেল। কোন চ্যানেল সন্তুষ্টু করতে পারছেনা। আলোচনার টেবিলে ঝড় উঠছে;

-‘বিবিসি শুনেছেন?’

-‘ঐ পত্রিকা পড়েছেন?’

জবাবে অন্যজন বলছেন;

-‘‘ আরে রাখেন। ওরা সঠিক কথা বলে না।’’

-‘‘ ওটা পত্রিকা হলো। যা মনে হয় তাই লিখে যাচ্ছে।’’

কৈফিয়ৎ দিচ্ছে তবুও মানুষ আস্থা হারাচ্ছে। আমরা সবাই আস্থাহীনতায় ভুগাছি। মাঝখানে লাভ হচ্ছে কার, কে জানে?

আমার ব্যক্তিগত ওয়েবসাইটে আমি আমার কথা লিখি। যখন যা মনে হয়েছে তাই লিখেছি। হঠ্যাৎ করে মনে হলো এসব লিখে কি লাভ। তাই লিখার ইচ্ছেটা হারিয়ে ফেলেছিলাম। ছাত্র অবস্থায় একটা গান খুব ভালো লেগেছিল। মাঝে-মধ্যে শুনতাম। এখনও গোসলখানায় গুনগুন করে আওডাই,

-‘....... চুড়ির আড়াল দিয়ে অনেক কথাই বল তুমি,

মন থেকে যা বল না। ........ একি তোমার ছলনা।’

এ কথা গুলো আমাকে ভাবিয়ে তুলেছে। আমার কথাগুলো আমার মনের কথা নয়; এমনটা পাঠকগন ভাবছেনা তো। ছলনা না করাই ভালো। তাই লিখার সাহস করিনি।

হঠ্যাৎ করে আপনারা এক সংগে আমার সাইটে ঢুকে আমাকে ভাবিয়ে তুলেছেন। আমার লিখায় আপনারা কিছু খুজছেন। জানি না, আপনারা কে? শুধু জানি আপনারা আমার পাঠক। জানার জন্য মাঝে-মধ্যে সহকর্মীদের কাছে জানতে চেয়েছি;

-‘এত পাঠক আমার ওয়েবে ঢুকে কি খুঁজছেন?’ জবাবে বলছেন;

-‘‘হয়তো আপনার লিখায় তারা কিছু পেয়েছেন।’’

পেয়েছেন কি না জানি না। তবুও তাদের কথায় মনে হলো বোধ হয় লিখা উচিৎ। তাই আবারো লিখলাম।

 

-----------------------×--------------------